ফিনিক্ষ থেকে তিরিশ যোজন দুরে,
তীর সোজা উত্তরে - -
আকাশ যেথা পাহাড় চুমে হয়েছে উন্মনা,
সেথা হতে চক্ষু পেতে দেখছে এরিজোনা,
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন সঙ্গে নিয়ে বক্ষেতে সেডোনা I
ও তার স্তরে স্তরে রঙের বাহার শীর্ষে তুষার রাশি
সেথা আলোকে ধারায় প্রনাম জানায় নিত্য রবি শশী
পক্ষী কুজন মতে যে মন তার বক্ষ কানন জুড়ে
হোথায় হাজার পাখির প্রানের কথা হাজার সুরে সুরে
সেই কাননে লোভী আশ্রয় যুগে যুগে নির্ভয়ে
অগণিত পাখি করিছে বিহার তার সুখ-প্রত্যয়ে
সেথা পাগলী বাতাস সোডা লোঘুবাস হয়ে তব স্নেহধন্ন্যা
ঘুরে ঘুরে ভ্করে হাসি পরিহাস তোমারি সোহাগী কন্যা
নিম্ন অঙ্গে পরিয়াছ তুমি রঙ্গীন বালুও বেশ
কত যে তাহার রঙের বাহার নেইকো তাহার শেষ - -
কখনো সোনালী কখনো ধুসর কভু দেখি পীত বেশ
কভুবা লঘু মেঘের ছায়ায় রঞ্জিত কালো কেশ
ক্ষীন ধারা নদী সতত শীর্ণা নদীর বালুও বুকে
তারে প্রাণধারা যোগাইছো তুমি আপন খেয়াল সুখে
মরু অঞ্চলে কোটি প্রাণী জনে,
ঘিরি রাখি সদা পালিছ যতনে,
কোমল কঠোর হস্তে সবারে সেবিছো গো সেবপ্রানা
প্রণমি তোমারে ওগো প্রেমময়ী আমাদের এরিজোনা I
- - - - - - - - - - - - - - - - - - -
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem