একবার ছুঁলে,
তো ঊর্বশীর সুডোল বুক ভুলে গেছি আমি।
দুবার ছুঁয়ে দাও-
রম্ভার দুরন্ত বাঁক ভুলে যাবো আমি।
আর তিনবার ছুঁলে?
নিজেই নিজেকে ভুলে যাবো আমি।
চন্দন সুগন্ধ মেখে
আর কত অপেক্ষা করবো মালবিকা?
চন্দন সুগন্ধ কি
তোমার ঠাম্মার ফোকলা দাঁতের হাসি
যে চিরকাল থাকবে?
ছুঁলে।
কিন্তু তেমন করে ছুঁলে না।
বলি, একটু গাঢ় করেই যদি ছুঁতে
মহাভারত কি অশুদ্ধ হতো তাতে?
তিনশো সাঁইত্রিশ দিনে আগের
আলতো একটু ছোঁয়া বুকে,
ক রাত্রি আর জাগবো?
কদিন আর বেরসিক ঈশ্বরকে
সন্তানহীন মুখপোড়া শ্বশুর বলে
মিছে গালি করবো?
বলি, ইচ্ছে কি আমার করে না
ঈশ্বরের কাছে একটু 'ভালো ছেলে' সাজতে?
করে। আলবৎ করে।
হাজারবার করে।
ঈশ্বরকে যদি ভালোই না বাসবো,
কানে আমার ধূপকাঠি গুঁজা কেন?
তুমিই বলো,
এতো এতো পাপ যে কুড়াচ্ছি,
কিসের জন্য?
বলি, কিসের জন্য?
তোমার মামা বাড়ির বড় পুকুরের মাছ
এমনিই পারি চুরি করতে!
তোমার মায়ের গয়না বড়ি
এমনিই পারি ধ্বংস করতে!
কিন্তু তুমিই বলো-
তিনবার ফেল করে পাশ করা-
নগেন মাস্টারের ছাত্র আমি।
সামান্য ছুঁচো মেরে
হাত গন্ধ কি কখনো করি আমি?
ভালোই জানো তুমি
এতো পাপ করছি শুধু তোমার জন্য।
শুধু তোমার একটু
ছোঁয়া পাওয়ার জন্য।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem