উৎসুক চোখে জেগে আছি রাত্তির।
অথচ ভীষণই নিদ্রাকাতর
রণক্লান্ত যুবকের জীবন যৌবন স্বপ্ন।
তবুও স্মৃতির ঘুলঘুলি বেয়ে
অসময়ে
কাঁকনধ্বনি ভেসে আসে কার?
এই ঘন বৃষ্টি মুখর রাতে,
পরিত্যক্ত হৃদয়ের দরজায়
জোরে জোরে
কড়া নাড়ে কোন গাঁয়ের মাতাল?
কি? কি নাম বললে?
শ্রীযুক্ত স্মৃতি? কোন গাঁয়ে থাকো তুমি?
নাহঃ নাহঃ
এ ঠিকানায় মালবিকা বলে কেউ থাকে না!
ইয়ার্কি মারার জায়গা পায় না।
যত্তসব ইয়ে কোথাকার!
নাচছে বৃষ্টি রিমঝিম সুরে
হাসছে বাতাস খিলখিল করে।
কে? জানালার ধারে বসে
আঁচল উড়িয়ে গুনগুন গান গায় কে?
মালবিকা! তুমি? এখানে?
তোমার তো এখানে আসার কথা নয়!
কেন এসেছো? কেন?
বেশ। এসেছো যখন ভালো করে বসো।
অস্থির হওয়ার কি আছে?
বলি, অস্থির হওয়ার কি আছে?
ক্যাবলা বলে কি
সামান্য একটু চা বানাতে পারি না?
জানতে চাইছো, ভালোবাসি কিনা?
নাহঃ নাহঃ
আমি ভালো কাউকে বাসি না।
অত ভালোবাসা-টাসা সহ্য আমার হয় না।
নাও। এই নাও তোমার চা।
একি! কোথায় গেলে?
কোথায় গেলে তুমি মালবিকা?
হাসছে দুর্ভাগ্য হিঃহিঃ করে
চেয়ে আছে টিকটিকি টিপ্পনি মেরে।
কাঁদছে এ পোড়া হৃদয়
অস্ফুট আর্তনাদ সুরে।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem