স্বপ্নের পৈতে পরে সেজে আছে যৌবন।
নারী স্পর্শ নামের
শীতল দক্ষিণা বাতাস
যদি গায়ে লাগে!
পত পত করে
কোথা থেকে
সবুজ এক শব্দ ভেসে আসে।
"দক্ষিণা বাতাস! দক্ষিণা বাতাস! "
গোঁফে তা দেওয়ার
তৈলাক্ত তেলের বাটি ফেলে
উদ্ভ্রান্ত যৌবন ছুটে পড়ি মরি করে!
"ময়ূরী" নাম্নী প্রতিবেশীর ছোট বৌ
ডানা মেলে, পুচ্ছ দুলিয়ে
বুকের মধ্যে
সহস্র দুঃখের খঞ্জনি বাজিয়ে
নাচতে নাচতে চলে গেলো।
বেল পাকলে কাকের কি হে ভাগ্য
বেল পাকলে কাকের কি?
তুমি শালা হারামজাদার বাচ্চা
দিনরাত আর কত টিটকিরি করবে?
বলি- কতদিন আর
ধার করা পয়সায়
সুগন্ধী সাবান মেখে
রাতদিন অপেক্ষা করবো?
কতদিন আর প্রতিবেশীর ছোট বৌকে
স্বপ্নে দেখে
সোনালী সবুজ আকাশে, সুখের নিষিদ্ধ নীল ছবি আঁকবো?
কতদিন তার রঙিন পুচ্ছের
অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখে
কাটা ছাগলের মতো আর্তনাদ করবো?
"ভাগ্য" নামের ফক্কর এক টিকটিকি
নিদ্রিত রাতে
বিনিদ্র যৌবনকে দেখে
অবজ্ঞার দেওয়ালে শুঁশু এঁকে যায়।
"আশা" নামের হতচ্ছাড়া হুলো বেড়াল
অবসাদগ্রস্ত যৌবনকে দেখে
সহানুভূতির কান্না কেঁদে যায়।
অথচ নির্লজ্জ্য যৌবন?
স্বপ্নের পৈতে পরে সেজে থাকে যৌবন।
নারী স্পর্শ নামের
শীতল দক্ষিণা বাতাস
যদি গায়ে লাগে!
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem