দূরে কেন বিষণ্ণতা?
কাছে এসো। আমাকে
গাঢ় করে ছুঁয়ে বসো।
তুমি যে সুন্দরী স্রষ্টা বিষণ্ণতা
তুমি আমার বিধাতা।
বলো, কার ছোঁয়ায়
আমি জেগে রই রাতে?
কার কাঁকন ধ্বনি
এতো শিহরণ জাগায় বুকে?
কার নূপুর নিক্কণ
এতো স্বপ্ন জাগায় চোখে?
বলো, কার কাজল চোখ
এতো কাব্য আঁকে স্বপ্নে?
কার উঁচু বুক
এতো শিল্প আঁকে মননে?
কার নিতম্বযুগল
হাতছানি দেয় মরণে?
ঘেঁষে বসো বিষণ্ণতা
ঘেঁষে ঘেঁষে চেপে বসো।
তোমার আগ্নেয় বুকের উষ্ণতা
এখনো যে পাচ্ছি না বিষণ্ণতা।
তুমি বরং নাভি থেকে আঁচলটা সরাও।
পাচ্ছি। এখন তোমার রক্তস্রোতে
আমার উচ্ছৃঙ্খল কল্পনার
হুল্লোড় শুনতে পাচ্ছি।
বুকটা একটু খোলো।
আরে বাবা একটু খোলোই না।
না বাবা না। এখন রাত্তির পেরিয়ে ভোর।
কাকপক্ষী কেউ জেগে নেই।
এখন শুধু, তুমি আর আমি।
আমরা একা। আমরা দুজন ভীষণ একা।
এই জনারণ্য ভূখন্ড, এই নক্ষত্রখচিত আকাশ-
এতো কিছু মাঝে
কেবল তুমি। কেবল আমি।
তোমার আগ্নেয়গিরি মাঝে
আমাকে
আরও একটু চেপে ধরো বিষণ্ণতা।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem