নুপূরে নিক্কন তুলে
হেঁটে গেলো কে।
কে?
কে তুমি?
কি নাম তোমার?
নিবাস কোথায়?
চাঁদের কাছাকাছি হবে নিশ্চয়।
নইলে ভর দুপুরে এতো স্নিগ্ধতা কেন?
একি!
কেবল একপায়ে নুপূর!
ব্যাপারটা অবশ্য মন্দ নয়।
বুকে হাতুড়ি বাজছে কেন?
দেখো। বুকে হাত দিয়ে দেখো।
শুনতে পাচ্ছো?
কি শুনতে পাচ্ছো?
কামারের কেচ্ছা কারখানা
অথবা যুবকের হৃৎপিণ্ড?
কাজল চোখে ওটা কি?
সমুদ্র?
অথবা আমার মৃত্যু আঁকা উপত্যকা?
নইলে ওই চোখের জন্য
এতো মরি মরি ভাব কেন?
ভরা গাঙের নদী যদি তুমি
নাভি তোমার উন্মুক্ত কেন?
জানো না
ওখানে পুরুষের স্বপ্ন খেলা করে?
কি স্বপ্ন?
তা জিজ্ঞেস আর করো না।
জানো না?
গোপন কিছু অসভ্যতা আছে
যা স্বপ্নের চেয়ে সুন্দর কিন্তু বর্ণনীয় নয়।
শুধু পুরুষের কথা বলি কেন।
নারীর নেই?
আদিম বর্বর স্বপ্ন
নারী কি কখনো দেখে না?
দেখো দেখো
তোমাকে ছুঁবে বলে
রক্তের বেয়াদপ কণাগুলো
কেমন ছটফট করছে।
তোরা কি থামবি রে হারামজাদা?
জানিস না
নারী অঙ্গ স্পর্শ
অশ্লীলতার দায়ে দণ্ডনীয়?
জানিস না
হৃদয়ের কিছু ইচ্ছে আছে
যা ইচ্ছে হয়ে থাকাই ভালো;
নইলে অনর্থ ঘটে।
পেন্তীর মা তুমিই বলো না
অবাস্তবায়িত ইচ্ছের তাড়নায়
হৃদয় যদি তড়পে তড়পে না মরে
তো সে হৃদয় কেন?
ওরে, অবসাদের বাচ্চা হৃদয়
তুইই বল না-
তড়পে তড়পে না মরলে
তোর হৃদয় নাম কেন?
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem