উদ্ভ্রান্তের মতো ছুটছে
নারী
পুরুষ
সময়।
একটা ঠেলা গাড়ি
পিছন থেকে ধাক্কা দিলো আমায়।
গালি মারতে যাবো শালাকে
এমন সময়-
কে?
কে দাঁড়িয়ে, রাস্তার কোণে?
অনামিকা!
এই ভর দুপুরে
হন্যে হয়ে খুঁজছে কাকে?
মানুষের রক্তে আজন্ম মিশ্রিত
অজেয় জিঘাংসা ভুলে,
কোন কিছু না ভেবেই
ছুটে গেলাম আমি।
তখন হৃদয়ে আমার
মহোৎসবের কলরব-
"অনামিকা
আমার অনামিকা।"
কিছুক্ষণ মুখের দিকে তাকিয়েই
ওর বুকে নজর আমার।
উঁচু দুই পাহাড়
আর লুক্কায়িত দুই শৃঙ্গ।
একদিন ওই পাহাড়ের দুই চূড়ায়
আশ্রয় গড়ার কথা ছিলো আমার।
সোনালী সবুজ উপত্যকায়
মাচা বেঁধে চড়ুইভাতি করার
কথা ছিলো আমার।
"কি দেখছো অমল? "
নাহঃ নাঃ। কিচ্ছু না।
স্মৃতির সরণী বেয়ে
ভেসে আসে চূর্ণী নদীর ঢেউ।
কাদা মাখা নদী উপত্যকার
আঁশটে আঁশটে গন্ধ।
পূর্ণিমা তিথির
নীরব নির্বিকার চাঁদ।
আর এক কিশোরী মেয়ের
সদাহাস্য মুখ।
জানো অনামিকা
তুমি আগের চেয়েও সুন্দর।
আনন্দ হওয়ারই কথা আমার।
কিন্তু হটাৎই
বুকটা ডুকরে উঠে।
এক খাঁ খাঁ শূন্যতা
হৃদয়ের গলা চেপে ধরে।
চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।
চোখ থেকে কয়েক ফোঁটা জল
চিবুক বেয়ে পড়ে।
ভালো থেকো
তুমি ভালো থেকো অনামিকা
আমি গেলাম.....
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem