নিশ্চয়ই সুখে আছো তুমি।
সুগন্ধমাখা পালঙ্ক আর মখমলের গদি
সব রমণীর প্রিয়।
তোমার হবে না কেন?
তোমার প্রিয় বান্ধবীর কাছে
গল্প করেছো তুমি-
যার জন্য ছেড়ে গেছো আমায়
তার নাকি
রোমশ বুক আছে।
মাংসল পেশী আছে।
তার বাহুর আবেশে নাকি
তোমার কটিদেশের
সহস্র সুপ্ত আগ্নেয়গিরি
মুহূর্তে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠে।
মানবীই আছো তো?
নাকি
সেই অমৃতের আগ্নেয় উত্তাপে
স্বর্গের ঊর্বশী হয়ে গেছো?
মানবী থাকলে ভালো।
ঊর্বশী হলে আরও ভালো।
জানো?
যা কিছু তোমার ওষ্ঠে হাসি আনে
সে সবই ভালো। ভীষণ ভালো।
তোমার তো হাসিই চেয়েছি কেবল।
তাই না?
তবে সেদিন
এলোচুলে, এতো আনমনা কেন?
ওঃ বলা-ই হয় নি তোমাকে!
তুমি চলে যাওয়ার পর
গত দু বছর ধরে
মাঝে মাঝে
তোমার বাড়ির সামনে ঘুড়ে আসি আমি।
গোপন ইচ্ছে
যদি দেখতে পাই!
দূর থেকে হলেও
তোমাকে যদি একটু দেখতে পাই!
দিন দিন যেন
কেমন মলিন হচ্ছো তুমি।
এতো বাড়ি এতো গাড়ি
এতো কল্লোল
তবু এতো মলিনতা কেন?
সুখেও কি তাহলে ক্লান্তি আসে?
যৌবনের তৃষ্ণারও কি
তাহলে অবসাদ আসে?
তা যদি নাই আসবে
তো চোখে তোমার মলিনতা কেন?
চাইলে উত্তর দিও
নইলে দিও না।
তবে যদি কখনো ফিরতে চাও তুমি
তো....
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem