সাঁকোর উপর দাঁড়িয়ে কে?
পেন্তীর মা! তুমি?
মরার এতো শখ কেন তোমার?
ছেলে ভাত দেয় নি?
না, তাড়া করেছে বৌ?
মাথার উপর শকুন
শিয়রে হায়না
কাঁধে কারও, হাত।
কে? কে তুমি?
সরাও
সরাও বলছি তোমার হাত।
মৃত্যু বলে কি
মাথা কিনে নিয়েছো তুমি?
মানুষের বাচ্চা হয়ে
শ্বাপদ সেজেছি তো কি?
তা বলে উলঙ্গ হয়ে
উন্মাদের মতো
ফূর্তি করতে ইচ্ছে হয় না আমার?
ঢং ঢং ঢং!
ওরে হারামজাদা জগাই,
দেখ দেখ
চরিত্রের ঘড়িতে এখন কটা।
বলিস কি রে! বারোটা?
বাজুক শালা বারোটা।
আমিও দেখে নেবে ওকে!
কাকে দেখবো?
কাকে? কেন?
অত শত জানি না।
দেখে নেবো বলেছি
তো দেখে নেবো।
গলার মধ্যে আছোলা বাঁশ ভরে
ঝুলিয়ে দেবো শালাকে।
আইন?
হিহিহি
তুমিই বলো না হে পেন্তীর মা
আইন নামের বস্তুটিকে
কখনো দেখেছো চোখে?
আদালত করছে দালালি
আইন, আড়ৎদারী
প্রশাসন, চাটুকারী।
সব শালা আমার মতো শ্বাপদ।
ঈশ্বরের হাতে হুঁকো
দালালের হাতে শাসন।
চলছে দেশ। চলছে পৃথিবী।
চলছি আমরা।
কোথায়? কোথায়?
আর মাত্র একটা বাঁক।
তারপর
ডান দিকের শ্মশানটা ছাড়িয়ে গেলেই
পরম সেই গন্তব্য-
নরক।
বহু আকাঙ্খিত
বহুজন আকাঙ্খিত নরক।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem