কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
হয়তো স্পর্শে তোমার
বৃহস্পতির অভিকর্ষ।
চোখে তোমার নীল সমুদ্র।
ঠোঁটে তোমার জ্বলন্ত সূর্য।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
হয়তো তোমাকে পাওয়াতে
স্বর্গের সুখ।
তোমাকে না পাওয়াতে
নরক যন্ত্রণা।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
ইচ্ছে অবশ্য করে।
তোমাকে পেতে
বেশ ইচ্ছে করে।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
কত লোক তো
কত কিছু পায় না।
আকাশ পায় না
রামধনু সাথে ঘর বাঁধতে।
বাতাস পায় না
সুগন্ধ সাথে ঘর বাঁধতে।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
ব্যথা হলে
বৃষ্টি হয়ে কেঁদে দেয় আকাশ।
যন্ত্রণা হলে
বৈশাখী হয়ে গড়াগড়ি দেয় বাতাস।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
হয়তো কষ্ট একটু হয়।
তোমাকে না পাওয়ার দুঃখে
বুকটা একটু পাথর পাথর লাগে।
চোখদুটো ছলছল করে।
চিবুক বেয়ে
স্রোত নেমে আসে।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
হয়তো তোমাকে ভেবে
একটু লিখতে ইচ্ছে করে।
কবিতা নয়
কেবল গুটিকয় কথা।
কাব্যহীন জীবনের
ছন্দহীন দুটো কথা।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
হয়তো একটু মরতে ইচ্ছে করে।
বেশি বেশি নয়
একটু একটু।
তোমার কোলে মাথা রেখে
একটু মরতে ইচ্ছে করে।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
পেতে তোমাকে চাই
তবে বেশি বেশি চাই না।
আড়ালে আবডালে
একটু একটু চাই।
তোমার বারান্দায় উঁকি মেরে
তোমাকে দেখতে একটু চাই।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
এমনিতে দেখতে চাই না।
কিন্তু বুক একটু ধুকপুক করলে
তোমাকে দেখতে একটু চাই।
তাই বলে
কে দিব্যি দিয়েছে
তোমাকে পেতেই হবে?
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem