দুঃখের উনুনে যন্ত্রণার চড়ুইভাতি
আজ কতদিন হলো?
জানো মালবিকা?
ভাবছি, সুখকে এবার ভেংচি কাটবো।
হারামজাদা সুখ বড্ড বাড় বেড়েছে।
মূর্খ মানুষ
তাকে বড় বেশি সমীহ করে কিনা!
হতচ্ছাড়া সুখের লেজে
কেরোসিন তেল ঢেলে
আগুন জ্বেলে
ফকরামির খই ভাজবো আমি।
দেখবো, হারামাজদার চৈতন্য জাগে কিনা।
আঙুলের ফাঁকে
ধোঁয়ার কুন্ডলী সহ পুড়ছে পরমায়ু।
মালবিকার হাসির ভাঁজে
পৌরুষত্বের অভিমান সহ পুড়ছে যৌবন।
পড়শী নারীর নগ্ন নাভিদেশে
যৌবনের উচ্ছৃঙ্খলতা সহ পুড়ছে সংযম।
অথচ ভাগ্য বাবাজি
পথ ভুল করে
কখনো আমার দ্বারে আসে না।
সব ছুঁচোর পথ বিচ্যুতি ঘটে
নচ্ছার ভাগ্যের কখনো ঘটে না।
এক পৃথিবী মানুষকে
শ্রীমান দুর্ভাগ্যের হাতে সমর্পন করে
ভাগ্য বাবাজি এখন ধ্যানমগ্ন
স্বপ্ন নাম্নী নগ্ন নারীর
নিতম্বের গোপন গুহাদেশে।
ক্রোধ বাজায় ডুগডুগি
হিংসা বাজায় মৃদঙ্গম
অপমান বাজায় খঞ্জনি
হতাশা বাজায় হারমোনিয়াম
শ্রীমতি দুঃখের ভাটিয়ালি গানে একনিষ্ঠ সঙ্গত করতে।
তবুও ভাঙা বাঁশিতে ফুঁকে যায়
উন্মাদ অমলের যৌবনদীপ্ত পৌরুষত্ব।
কিন্তু সুর?
গায়ে তার ১০৫ ডিগ্রী জ্বর।
সংজ্ঞা তার জাগে না।
ওহে ভাগ্যভ্রষ্ট যুবকের নিষ্ঠাবতী প্রেমিকা
হে মালবিকা,
কতদিন আর অমলের দুঃখের আগুনে
দাউ দাউ করে জ্বলবে?
© অরুণ মাজী
Painting: Lee Bogle
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem