একটু কাছে এসে দাঁড়াও
দেখি। তোমাকে ভীষণ কাছ থেকে দেখি।
এ মুখে, চাঁদের বাস কেন?
তুমি তো আকাশ নও।
ওষ্ঠে তোমার জবার হাসি কেন?
তুমি তো জবা গাছ নও।
তুমি কি এ ধরিত্রীর?
এতো চেনা
তবু তোমাকে এতো অচেনা লাগে কেন?
প্লিজ, হাত দুটো বাড়াও।
বাড়াও। বাড়িয়ে একবার দেখোই না।
একটু স্পর্শ করে দেখি।
এ কি? এ তো চাঁপার সুগন্ধ।
তুমি তো চাঁপা গাছ নও।
কিভাবে এতো
সবুজ সোনালী নির্মল হলে তুমি?
সংসার জীবনের মলিনতা
তোমাকে ছোঁয় না কেন?
এতো দুঃখ এতো যন্ত্রণা
তবু চোখে তোমার সূর্যের হাসি কেন?
কাছে বসো।
দূরে দূরে নয়
একটু ঘেঁষে ঘেঁষে বসো।
তোমাকে দেখে দেবতার ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটে
আমার ঘটবে না?
বক্ষ বৃন্তে তোমার ও দুটো কি?
ফুল তো নয়। আরও কিছু বেশি।
নাহঃ নাহঃ ওদেরকে ছুঁতে আমি চাই না।
নন্দনকাননের সৌন্দর্য্য
ময়লা হাতে ছুঁয়ে
তাকে মলিন করতে চাই না।
শুধু একটু দেখি।
নাহঃ নাহঃ চোখ দিয়ে নয়
স্বপ্ন দিয়ে দেখি।
তুমি পত্র পুষ্প ভরা বৃক্ষ
আমি তৃষ্ণার্ত পথিক।
শীতল সুগন্ধ ভরা ছায়ায়
একটু প্রাণ জুড়োতে চাই।
আমাকে ছুঁয়ে দিলে কেন?
জানো না
স্পর্শে তোমার স্ফুলিঙ্গ আছে?
এখন যে দাউ দাউ করে জ্বলছি আমি।
এ জ্বালা এখন
কেমন করে নিভাবো আমি?
© অরুণ মাজী
Painting: Emily Lecomte Vernet
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem