ঘুম যখন ভাঙতে শুরু করলো, বুঝলাম- কোন এক পুরুষের হাত পা আর উরু গাঢ় করে আমাকে জড়িয়ে রেখেছে। চমকে উঠলাম আমি। পুরুষ মানুষ! কেন? কিভাবে? কোন পুরুষের সাথে তো আমার থাকার কথা নয়। আধভাঙা ঘুম মুহূর্তে ছুটে গেলো আমার। ভয় পেলাম। তবে কি আমি...
এক লাফে, শোয়া অবস্থা থেকে খাটের উপর উঠে বসলাম আমি। দেখলাম- অমলদা!
বাবাঃ বাঁচলাম। তাহলে রেপ হই নি আমি। নিজেই ধরা দিয়েছি।
সূর্যের রশ্মি এখনই বেশ উষ্ণ। জানলা দিয়ে আলোর রশ্মি ঘরে ঢুকছে। অমলদা তখনও শুয়ে। নিজের দিকে তাকালাম। দেখি- আমার ব্লাউজের বোতাম সব খোলা। শায়ার দড়ি আলগা। চুল অগোছালো। হটাৎ অনুভব করলাম- বুকের উপর চিনচিনে একটু ব্যথা। ভালো করে পরখ করে বুঝলাম- নখের আঁচড়। একটা নয়, দুটো নয়- দুদিক মিলিয়ে মোট পাঁচটা। ঊঃ পুরুষরা কি হিংস্র হতে পারে।
কেবল পুরুষরাই হিংস্র? নারীরা নয়?তবে রাতে কেন এ ব্যথা অনুভব করি নি আমি? এখন বেশ মনে পড়ছে- রাতে, আমিই তো অমলদার কাছে বারবার আর্তনাদ করে ভিক্ষা করেছিলাম- "আরও জোরে অমল, আরও জোরে"।
রাতের কথা ভাবতে গিয়ে, রক্তের মধ্যে উষ্ণ লাভার এক স্রোত বয়ে গেলো। বুকের পাহাড় দুটো যেন গোঁত্তা দিয়ে জেগে উঠলো। ঊরুসন্ধি হটাৎই উষ্ণ হয়ে উঠলো। গলা শুকিয়ে স্যালাইভা আরও গাঢ় হয়ে উঠলো।আমি কি তবে...
ঝাঁপিয়ে পড়লাম আমি অমলদার উপর। ঝাঁপাবোই না কেন? এখনো অতৃপ্ত আমি। আমি চাই অমলদা আমাকে তছনছ করুক। ধ্বংস করুক। আমাকে দলিত মর্দিত করে নিঃশেষ করুক।....
(চলতে থাকবে।একটু একটু অংশ পোস্ট করতে থাকবো
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem