কেউ তো ভালো বেসেছে আমায়।
কে? কে সে?
হয়তো বা জানি
হয়তো বা জানি না।
অবশ্য না জানাই ভালো।
বন্ধন বন্ধন আর বন্ধন!
লোভ মায়া মাৎসর্য্যের এই ধূসর দেশে
এমনিতেই চিরবন্দী আমি।
তারপর সেই নারী হৃদয়ের ভলোবাসা?
নারীর সুকণ্ঠ স্বর?
তার উর্ধউন্মুক্ত বক্ষ পাহাড়?
নাভির সোনালী উপত্যকা?
নিতম্বদেশের ছায়া ঘেরা স্রোতস্বিনী?
সে যে এক ভীষণই অন্ধকার কারাগার।
একবার নিক্ষিপ্ত হলে
নিস্তার নেই।
নাহঃ উত্তরণ আর
এ জন্মে বুঝি হলো না।
উত্তরণ কেন চাই আমি?
না হলেই বা ক্ষতি কি?
উত্তরণের চেয়ে
নারীর ছায়া ঢাকা স্রোতস্বিনীর
ঈষৎ উষ্ণ প্রসবন
বেশি ভালো নয় কি?
হয়তো বা তাই
হয়তো বা না।
কে জানে এর সঠিক উত্তর?
ঈশ্বরের ক জন শয্যা সঙ্গিনী?
ঈশ্বর কি লম্পট?
লাম্পট্য শব্দ কি
ঈশ্বরের অভিধানে আছে?
অথবা লাম্পট্য কেবল মানুষের সৃষ্টি?
মানুষ নিজে নিজেকে শাস্তি দিতে চায়
তাই সে তৈরী করেছে
শ্লীলতা অশ্লীলতা খেলা।
মানুষের ইতিহাস বলে-
উলঙ্গ পৃথিবীতে
এতো ভ্রাতৃহত্যা ছিলো না।
ছিলো না এতো বলপূর্বক ধর্ষণ
এতো নৃশংসতা।
মানুষ সৃষ্টি করেছে বলেই
তা যে ধ্রুব সত্য
তা আমি মানবো কেন?
শুনছো ঈশ্বর?
তুমি যদি হাজার শয্যাসঙ্গিনী রাখো
তাহলেও এই উন্মাদের
কোন আপত্তি নেই।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem