কতদিন আর যৌবনের উচ্ছ্বাসকে
সংযমের
মিথ্যা ফানুস দিয়ে ঢাকবো হে বালিকা?
কতদিন আর যৌবনের উচ্ছ্বাসকে
সংযমের
মিথ্যা ফানুস দিয়ে ঢাকবো?
দিনে চব্বিশঘন্টার মধ্যে
অন্তত, ঊনসত্তরবার ইচ্ছে করে
হুমড়ি খেয়ে পড়ি
তোমার উছলে পড়া, উন্মত্ত ভরা গাঙে।
নাক ডুবিয়ে সাঁতার কাটি
তোমার স্রোতের উল্টো উজানে।
চিৎ সাঁতার, প্রজাপতি সাঁতার দিয়ে
ঘুড়ে বেড়াই
তোমার নগ্ন নদীর আনাচে কানাচে।
অথচ ইচ্ছের সেই ঊচ্ছ্বাসকে
কষিয়ে থাপ্পড় মেরে দাবিয়ে রাখতে হয়।
যৌবনের বিষাক্ত কাঠ পিঁপড়েগুলোকে
কতদিন আর
সংযমের মিথ্যে গুড় খাইয়ে
ভুলিয়ে ভালিয়ে রাখবো?
একদিনও কি কাছে ডাকবে না হে নারী
একদিনও কোন ইঙ্গিত দেবে না?
লজ্জা যদি নারীর ভূষণ হয়
তো অবিমৃষ্যকারিতা পৌরুষ ভূষণ।
একদিন যদি
উন্মত্ত এক এঁড়ে গরু সেজে
লন্ডভন্ড করে দিই তোমার সাজানো বাগান;
তো কোন শাস্তি দেবে আমায়?
চড় মারবে?
মেরো। একটু জোরে জোরেই মেরো।
তোমার নারী ওষ্ঠে
একবারও যদি
যৌবনের
দুরন্তপ্রকাশ আঁকতে পারলাম না;
তো তোমার চড়েই না হয়
আমাকে তৃপ্ত করো।
চড় যদি মেরো
তো কষে কষে মেরো হে নারী
কষে কষে মেরো।
তোমার নরম নরম হাত দুটোতে
নারী বুকের গোপন সুগন্ধ মেখে
অমলকে
কষে কষে চড় মেরো।
© অরুণ মাজী
Painting: CATF
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem