দ্বিতীয়বারের জন্য যখন ঘুম ভাঙলো আমার, বুঝলাম- অমলদার বুকের উপর শুয়ে আছি আমি। বাহু দুটো তার আমার পিঠের উপর রাখা। অমলদার নগ্ন বুকের উষ্ণতায়, নিজেকে আজ বড় উষ্ণ আর তৃপ্ত লাগছে।
-
এর আগে, জীবনে কি যেন এক শূন্যতা আর অতৃপ্তি ছিলো আমার। কিন্তু এই মুহূর্তে মনে হলো, সেই শূন্যতা যেন শূন্য হয়ে উবে গেছে। সেই অতৃপ্তি যেন তৃপ্তির কাছে নিঃস্ব হয়ে গেছে।
-
আচ্ছা, নারীর কাছে পুরুষ দেহ কি সত্যিই এতটা কাম্য? কাম্য যদি নয়- তো আমার শূন্য বুক এই মুহূর্তে এতো পূর্ণ কেন? আমার চোখে হাসি কেন? দেহে আগ্নেয় শিহরণ কেন? মনে বসন্তের আগমনী গীত কেন?
-
আমার চোখের উপর এলো হয়ে পড়া চুলগুলো সযত্নে সরিয়ে দিয়ে, অমলদা আবার একটু হাসলো। ওর হাসিতে ভয়ঙ্কর এক জাদু আছে। ওই হাসি যে কোন নারীর দেহে মুহূর্তেই উষ্ণ লাভার স্রোত বইয়ে দিতে পারে। তার দেহ- অবশ করে দিতে পারে। আঁচল খসিয়ে দিতে পারে। অন্তর্বাসের বাঁধন আলগা করে দিতে পারে। তাকে, যৌবনের আগ্নেয় উত্তাপে পুড়িয়ে মারতে পারে। ভগবান জানেন, কত শত মেয়ে ওকে স্বপ্ন দেখে নিদারুন যন্ত্রণা পায়।
-
সেই অমলদা এখন আমার অমল। আমি এখন তার নগ্ন বুকে শুয়ে। অমলের হাসিতে আমার সংযমচ্যুতি ঘটলো। আমি আমার এক পা অমলের উরু দুটোর মধ্যে রেখে অমলকে জড়িয়ে গাঢ় আর দীর্ঘ এক চুমু খেলাম।....
© অরুণ মাজী
Painting: RJ
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem