কি যেন খুঁজছে সবাই।
চল্লিশ ছুঁলেই, পুরুষ শুঁকছে
পরস্ত্রীর অন্তর্বাসের গন্ধমাখা সুগন্ধ।
যে পুরুষ- স্ত্রীর সুডোল বুকে
নখের আঁচড় দিয়ে
ভিঞ্চির মোনালিসা এঁকেছিলো একদিন;
সেই পুরুষ
স্ত্রী-বুকে আজ, আঁশটে গন্ধ শুঁকে।
রাত্রি ঘুমিয়ে পড়লে
উদ্দাম শীৎকার সহ জেগে উঠে নারী।
আহাঃ কি তৃপ্তি
পরপুরুষের সঙ্গে উদ্দাম সঙ্গমে!
হোক না সে স্বপ্নে সঙ্গম
স্বপ্নের সঙ্গম তো বটে।
অতৃপ্ত সেই নারী
এক দুই তিন করে
আড়ালে গুনতে থাকে অধৈর্য্যের প্রহর।
হায় ঈশ্বর, কি পোড়া কপাল আমার
একদিনও কি স্বপ্নের সঙ্গম
শয্যায় আছড়ে পড়বে না?
কি যেন খুঁজছে সবাই।
হাঁটছে তারা মাটিতে
কিন্তু পা তাদের শূন্যে।
ঈশ্বরের কপাল ফাটা কপাল!
পাপ করে মানুষ
অথচ গালি খায় ঈশ্বর।
অরুণ মাজীর মতো বদ্ধ উন্মাদরা সাক্ষী-
এক দুই তিন করে
মানুষের বয়স আজ লক্ষ বছর হলেও
এখনো পরিণত সে হয় নি।
তাই জীবাশ্মের আঁধারে থেকেও
মানুষের সহস্র পূর্বপুরুষ
তাদের অতৃপ্তির যন্ত্রণা হেতু
ঈশ্বরের গুষ্ঠির ষষ্ঠী পূজা করে।
© অরুণ মাজী
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem