কাপড় পরা লোকেদের
বড় বেশি কাঁছা খুলে যাওয়ার ভয়!
কাঁছার প্রতি সজাগ কিনা;
তাই, চলার পথে তারা
নদী আর রাস্তার সৌন্দর্য্য দেখে না।
অথচ যারা উলঙ্গ
তাদের সে ভয় নেই।
নদী দেখলে তারা সাঁতার কেটে আসে,
গাছ দেখলে
তারা মগডালে চড়ে বসে,
বাবুই দেখলে
তারা, বাবুই সাথে দাঁত কেলিয়ে হাসে।
যারা নির্লজ্জ্য অকুতোভয়
তারাই কেবল সুখী।
মানুষ
ঈশ্বরকে গালি মেরে
তার বাপের শ্রাদ্ধ শান্তি করে!
অথচ ঈশ্বর?
গাঁজাতে বুঁদ হয়ে
একমনে
নতুন নতুন সৃষ্টির নকশা করে।
ঈশ্বর নির্লজ্জ্য বলেই
এতো সুখী আর প্রশান্ত!
মানুষ বেশি চালাক কিনা
তাই প্রতি পদক্ষেপে
সে, তার কবরের নকশা আঁকে!
যারা যত বড় চালাক
তারা তত বেশি গন্ডমূর্খ!
চালাক,
জীবনের জন্য জীবিকা খুঁজে।
পরে,
জীবিকার আঁধারে
সে জীবন হারিয়ে ফেলে!
আশ্চর্য্য, তাই না!
কোথায় তবে যন্ত্রণার মুক্তি?
মানুষ যেদিন
নংকু দুলিয়ে হাঁটবে
অথচ লজ্জা পাবে না, ভয় পাবে না;
সেদিনই মানুষের যন্ত্রণা মুক্তি!
উলঙ্গ যাত্রী হও হে মানুষ
উলঙ্গ যাত্রী হও।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem