মালবিকার চুম্বনের দৈর্ঘ্য বড় কিঞ্চিৎ। কিন্তু তার চুম্বনহীনতার যন্ত্রণা বড় অসীম।
মা দুর্গার সস্নেহ আবির্ভাব বড় ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু মায়ের পুণরাগমনের প্রতীক্ষা বড় লম্বা।
মানুষের জীবনে প্রহসন কি জানো? গন্তব্যে পৌঁছনোর আনন্দ সর্বদাই ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু যাত্রাপথ আর আর যাত্রার যন্ত্রণা বড় অসীম।
এই প্রসঙ্গেই বলি, গন্তব্য বলে কিছু নেই। এক গন্তব্যে পৌঁছে গিয়ে তুমি জানতে পারো, তোমাকে আরও এক গন্তব্য হাতছানি দিয়ে ডাকছে। মালবিকার চুম্বনের প্রতীক্ষায় একদিন দিন গুনেছি আমি। কিন্তু যেই না মালবিকাকে চুম্বন করলাম আমি, অমনি তাকে গাঢ় করে ছোঁয়ার বাতিক পেয়ে বসলো আমার। তারপর আবার নতুন এক প্রতীক্ষা। নতুন এক যন্ত্রণা।
এইসব ফালতু কথা উন্মাদ অরুণ মাজী তোমাদেরকে বলেছে কেন?
কারন- আমি তোমাদেরকে বলতে চাই, মানুষের জীবন ৯৯.৯৯৯৯৯৯% যাত্রাপথের যন্ত্রণা দিয়ে তৈরী। আর জীবনের অতি ক্ষুদ্রাংশ গন্তব্যে পৌঁছনোর আনন্দ দিয়ে তৈরী।
তোমার জীবনে, উন্মাদের এই অংকের ব্যবহারিক প্রয়োগ কি? জীবনের প্ৰায় পুরোটাই যদি যাত্রাপথ দিয়ে তৈরী, তাহলে যাত্রাপথে আনন্দ করতে শেখা বুদ্ধিমানের কাজ নয় কি? যাত্রাপথে যদি আনন্দ করতে না শেখো, তো তোমার জীবনের ৯৯.৯৯৯৯৯৯% কি যন্ত্রণাময় হবে না?
হাঁটো। কিন্তু ঝুলিতে বাঁশি রাখো।
এর অর্থ কি? জীবনে তুমি যা করতে চাও, তাই করো। কিন্তু তোমার যাত্রাপথে বাঁশি বাজিয়ে গাইতে বা দু হাত তুলে গৌরাঙ্গ নাচ নাচতে ভুলো না। নইলে জীবনের দীর্ঘ যাত্রাপথ তুমি পাড়ি দেবে কি করে?
© অরুণ মাজী
Painting by HM
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
A great hats of u sir...