রত্নাকরের পাপের ভাগী কেউ হয় না
মাধবী বন্দ্যোপাধ্যায়
বয়স যখন বড়জোর সতের কি আঠারো তার
বাবা মারা যেতে কাঁধে এসে পড়ল পুরো সংসার।
বিবাহ যোগ্যা বোনেরা, মা আর নিজেও বেকার -ফলে
দুরন্ত দামাল ছেলেটা পড়ল সংসারের জাতাকলে
সকালে ফুরায় নুন তো বিকালে ফুরায় চাল
কি দিয়ে ভরাবে পেট চোখে লাগে ধাঁধা অবস্থা বেহাল।
চাকরির খোঁজে নেমে পড়ল সে দিয়ে ইতি পড়াশুনায়
অবশেষে এক কেরানীর চাকরি জুটাল অনেক চেষ্টায়।
কেরানীর মাইনে চলে কোনো রকমে সংসার
মেটানো সম্ভব হয় না বোনেদের সকল আব্দার।
নিরুপায় হয়ে অতএব নিতে শুরু করল ঘুষ
ধীরে ধীরে হাল ফিরলো সংসারের পরিবারের সদস্যরা হলো খুশ
নিজেদের সংসারে গিয়েহিসেবী হয়েছে বোনেরা
এতদিনে এক নম্বর দু'নম্বরের ফারাক বুঝেছে তারা
মুচকি হেসে বলে তারা এখন এত বিলাসিতা এত বৈভব
এ সকল মাস মাইনেতে নয় ঘুষের পয়সাতেই সম্ভব।
ছেলেটি বলে'নিয়েছি ঘুষ করেছি অন্যায় মিটিয়েছি তোদের বায়না।
ভালবেসে তোদের গিয়েছি কুপথে বুঝিনি তখন বত্নাকরদের পাপের ভাগী কেউ হয় না।
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem