জীবনের অধিক কিংবা তারও বেশি সময় ধরে
বারবার ছুঁতে চেয়েছি আকাশ
মনের গভীরে গেঁথে নিয়েছিলাম একটাই মন্ত্র
আকাশ...আকাশ
পিঠে বোঝা নিয়ে ছুটেছি
অনিদ্রা, অনিয়ম আরও কাজ মাথা পেতে নিয়েছি আনন্দে
নিজেকে বুঝিয়েছি বারবার -
আকাশ ছুঁতে চাওয়া কি এতই সোজা?
আমার ক্ষণিক অবসরে কেবল প্রফিটের হিসেব কষেছি
চোখবন্ধ ক'রে বারবার সিঁড়ি বানিয়েছি বিশ্বাসকে
বন্ধুত্বের হিসেবে দেখে নিয়েছি আগামীর পথ
নিজেকে বলেছি-
চরৈবেতি! চরৈবেতি! চরৈবেতি!
তারপরই বাতাসে বাতাসে এল
কালান্তক ভয়
যথারীতি উপেক্ষা, অবহেলা...
ক্রমশ মৃত্যু মিছিলে থমকে দাঁড়ালো পথ
এখন কেবল ঘর আর ঘর
পূব-দিকের ছোট্ট জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি আকাশ
সে যেন উপহাস ক'রে বলছে,
কোথায় তোর চরৈবেতির গান?
কোথায় তোর আমাকে ছোঁয়ার স্পর্ধা?
কোথায় তোর বন্ধু-স্বজন?
সত্রাসে আমি বন্ধ করি জানালা
ধীরেধীরে আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াই
চমকে উঠি,
আয়নার সামনে প্রতিবিম্বিত হচ্ছে
আমি নই-কেবল একফালি লোভ!
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem