অভূতপূর্ব স্বপ্নে ঘুম ভেঙে গেল-
দু'হাত ভরে সৌন্দর্য এনেছেন কীটস
শেলী দাঁড়িয়ে আছেন আমাকে ভোরের কুয়াশা দেখাবেন ব'লে
বায়রণ তখনও বলছেন, না আমি ওকে আল্পসের চূড়ায় নিয়ে যাব
ওয়ার্ডসওয়ার্থ যেন কোত্থেকে এসে ফিসফিস করে বলছেন,বাইরে যাবি কি রে?
তুই তো এখনো নদীর-ধারের গাছগুলোকেই চিনলি না
ব্লেক এসে দাঁড়িয়ে আছেন পাশে
বললেন,বাস্তবতা অনুধাবন করো হে!
কী হবে ওসব ফুল পাখি আর অলীক কল্পনা
অক্টাভিও পাজও এসেছেন, বলছেন,
এবার একটু আধুনিক হ'রে,
আর কতদিন আগলে থাকবি পুরানো?
না, না। আমি কবেই চিলি ছেড়ে পা রেখেছি
তুইও বেরিয়ে পড়। আটকে থাকিস না ঘরে,
তাকিয়ে দেখি নেরুদা দাঁড়িয়ে আছেন একদম সামনে;
নিজের মনেই প্রশ্ন করলাম, নেরুদাকে এতক্ষণ আমি দেখিনি কেন?
পিছন থেকে ভারি গলায় বললেন খলিল গিব্রান,
যা-ই করো, দুমুঠো আহারের রেখো হে জোগাড়,
আর কেউ কি আছে? কেউ কোথাও?
আমি তখন আহ্লদে তাকিয়ে খুঁজছি আরও আরও কতজন।
হঠাৎ আঁধার এলো, চারিদিকেশনশন বাতাস
তারই মধ্যে এক উজ্জ্বল আলোক
সে আলোকচ্ছটা এগিয়ে আসছে ধীরে ধীরে
যখন আরও সন্নিকটে
তখনই দেখলাম তোমাকে
দীর্ঘ হাত বাড়িয়ে আমাকে দিচ্ছ একটুকরো নক্ষত্র
আমি সে টুকরো হাতে নিতেই
পরম আনন্দে ঘুম ভেঙে গেল,
চোখ মেলতেই দেখি, হাতের তলে বালিশের পাশে
তখনও রয়েছে ধরা
গেল রাতে ঘুমিয়ে পড়ার আগের মুহূর্তেও পড়তে থাকা
তোমার সঞ্চয়িতা!
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem