কাঠবিড়ালী-কাঠবিড়ালী
কতো রঙ্গে কতো ভঙ্গে তুই যে আমার মন ভুলালী
দুষ্টু ছেলের মত তুমি গাছের থেকে আসি নামি
ম্যাগ্নলিযার কুড়ি কেটে মুখে নিয়ে পালাস ছুটে
বাগানের ওই ওপর পারে ঘন সবুজ ঘাসের পরে
ঘুঘু পাখি চরছে যেথায় তুই যে কুড়ি ছিড়লি সেথায়
ঘুগুর সাথে করি মিতালি তুই যে তখন ভুক মিটালি
ওরে দুষ্টু কাঠবিড়ালী
কখন দেখি উঠিস মেতে ব্লুযে আর রবিন সাথে
কার্ডিনাল আরো পাখি কত সবার সাথে রঙ্গে মাতো
মগডাল থেকে চুপটি করে এগিয়ে এসে ঘাপটি মেরে
পাখিরা জবে খাওয়ায় রত লাফ্তি মারো রঙ্গে ততো
চড়ায়ে দিয়ে ওদের খাবার ছুটে তুমি পালাও আবার
ব্লুজে দুটি মধ্যে মাঝে করে তারা আচম্বিতে
লুকোচুরির ভঙ্গে তখন খেলায় মতো তাদের সাথে
বলিহারি কাঠবিড়ালী
রডেন্ড্রন আর ডান্ডিলায়ন সবার সাথে একই হলি
ডালে ডালে পাতায় পাতায় রঙ্গীন পাখির পিচুটি ধায়
গাছে গাছে নেচে নেচে কত ভাবে কর মিতালী
কত রঙ্গে কুসুম সঙ্গে মনের রঙ্এ রঙ মিলালী
সাবাস রে ভাই কাঠবিড়ালী
ঢেউ খেলানো লেজটি তুলে মগ ডালেতে দুলে দুলে
এধার থেকে চলো ওধার নিয়ে সকল সঙ্গে তোমার
মিছে খেলার মিছিল করো রঙ্গে সবার মঞ্জে হরো
সেই রঙ্গে মোর রঙ মিলালী অভাই প্রেমিক কাঠবিড়ালী
বলিহারি কাঠবিড়ালী
যবে বাতাস গাছে দিলো নাড়া কান্ দুটি তুই করলি খাড়া
সেই মর্মরিত ধ্বনি শুনে কোন বাসনা জাগলো প্রাণে
বুঝি ভাবিস মা তোর্ আসে চুপি চুপি দাঁড়ায় পাশে
নয়তো ভাবিস সেই জনে কি পাগল পারা পরান পাখী
জনম ভরে যার সাথে তর কতই হাসি খেলাখেলি
ওরে অভাই কাঠবিড়ালী
কখন আবার দেখি তরে ছুটোছুটি বন্ধ করে
বক ধার্মিক যেমন বসে জলের ধারে মাছের আসে
দুটি পেছন পায়ের ভরে তেমনি ভাবে দাঁড়িয়ে পড়ে
স্থির হয়ে তুই কি যে ভাবিস ভেবেও আমি পাইনে হদিস
তুই কি আমায় বোল বিরে ভাই তাপস হবার ইচ্ছে কি তাই
কখন আবার কোন খেয়ালে লুকাস আহার মাটির তলে
গাছের থেকে কেটে এনে লুকাস হোথায় কানন ভূমে
ওরে আপন হারা খামখেয়ালী পরে আবার যাস যে ভুলি
সরস মাটির গোপন কোলে গাছ যে গজায় পরের কালে
তাই বুঝিরে স্বভাব-মালী সবার কাছে আখ্যা পেলি
ওরে আমাদের কাঠবিড়ালী
- - - - - - - - - - - - - - - - - - -
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem
Khubyee bhalo lekhs hoyechhe. Thanks for sharing. + 10.
Thank you. These are indeed very unique creatures all over the world, and I am fascinated by these cute animals.