আমার মাঝে আমি একাকার ভাবনার সন্নিহিত প্রসূতে
যা ভাবি সবি হয় অপরিচিত ভাবান্তরের অঙ্কুরে
পাখিরা শীতের শেষে উড়ে গেছে দিগন্তের ওপাড়ে
ছুঁয়ে ছুঁয়ে হিমায়িত রক্ত মর্মন্তুদ প্রহরে
পৃথিবী এখনো শান্তভাবে লালন করছে আমায়
এ গ্রীষ্মের দ্বাপর যুগের অমলিন থাবায়
শুনছেনা কেউ পৃথিবীর গভীরতাকে
যেখানে ভবিষ্যত উন্মাদ হয়ে কাঁদছে
অজানায় অনুসরণ বর্তমান ঘাত-প্রতিঘাতে
মুখোশের বিষ অন্ধকার বীজের স্ফুলিঙ্গে
ধু ধু জনশূন্য প্রান্তর যেনো কোন হরতালের জন্ম
প্রাণপণ সংগ্রামে জীবন সক্রিয় যদিও দেখছে দুঃস্বপ্ন
স্বার্থপর হৃদয় মধ্যবিত্তের হৃদপিণ্ডের কান্না শুনছেনা
যেখানে রক্ত মৃত্যু সংবাদেও খুঁজছে বাঁচার ফয়সালা
উপদেশের ক্ষণিক সান্তনায় মনের গভীরে জ্বলছে কেরোসিন
প্রণোদনার মাকালফল এভাবে ভ্রমণ করবে আর কতদিন
বাঁচার জন্য সুখাদ্য তবে এ জন্ম নিছক মরার জন্য নয়
ধূর্ততার মিথ্যায় নেকড়ে বেশে বিনীতকে কেন করছো ক্ষয়
মরার সংখ্যায় শকুন নামছে; জীবিতদের হয়ে উড়ছে ঘুড়ি
শোক-প্রেমহীন অদৃষ্ট শেষকৃত্য লিখছে অনুসন্ধিত্সু লিপি
অন্তহীন এ আকাঙ্ক্ষায় পৃথিবীর প্রজনন ডিম্ব হচ্ছে নষ্ট
অন্ত্রতন্ত্রের কিনারায় দাঁড়িয়ে শুধুই শুনছি নিয়তির কষ্ট
নেই সত্য কোথাও অথবা নেই মিথ্যা; সব অলীক-ই বাস্তবতা
যখন পৃথিবী পড়েছে দুষ্ট চক্রে, নিজ সীমায় দাঁড়াতে হবে একা
২৭.০৪.২০২০ চট্টগ্রাম
This poem has not been translated into any other language yet.
I would like to translate this poem